সব অধ্যায় / ১০
নবম–দশম শ্রেণি · পদার্থবিজ্ঞান
স্থির বিদ্যুৎ
বদলে দেখো
স্থির বিদ্যুৎ
এই অধ্যায়ের পাঠ
পাঠগুলো
১আধান ও পরমাণু
প্রোটন ধনাত্মক, ইলেকট্রন ঋণাত্মক ও নিউট্রন নিরপেক্ষ। সাধারণ বস্তুতে মোট দুই আধান সমান। ইলেকট্রন গ্রহণ বা ত্যাগে বস্তু আহিত হয়। সমজাতীয় আধান বিকর্ষণ, বিপরীত আকর্ষণ করে। আধান সংরক্ষিত থাকে।
সম্পর্কটি মনে রাখো
q = ne; e ≈ 1.60×10⁻¹⁹ C
উদাহরণ দিয়ে বোঝো
10¹²টি ইলেকট্রন গ্রহণ করলে আধান −10¹²×1.60×10⁻¹⁹ = −1.60×10⁻⁷ C।
পরের পাঠ →২পরিবাহী ও আহিতকরণ
ধাতুতে সহজে চলতে পারে এমন বাহক থাকে, প্লাস্টিকে আধান সহজে ছড়ায় না। ঘর্ষণ, সংস্পর্শ ও আবেশে আহিত করা যায়। ঘর্ষণে আধান সৃষ্টি নয়, স্থানান্তর হয়। আর্দ্র বাতাসে আধান সহজে লিক হওয়ায় প্রভাব কম টেকে।
সম্পর্কটি মনে রাখো
total isolated charge before = total isolated charge after
উদাহরণ দিয়ে বোঝো
চিরুনি ইলেকট্রন পেলে চুল ইলেকট্রন হারাতে পারে। একসঙ্গে মোট আধান আগের মতো থাকে।
পরের পাঠ →৩আবেশ ও ভূমিসংযোগ
আহিত উৎস কাছে আনলে নিরপেক্ষ পরিবাহীতে আধান আলাদা দিকে সরে। অপরিবাহীতে অণুর আধান সামান্য সরে মেরুকরণ হতে পারে। আবেশে স্থায়ী আহিত করতে উৎস কাছে রেখে ভূমিসংযোগ দাও, আগে ভূমিসংযোগ খোলো, পরে উৎস সরাও।
সম্পর্কটি মনে রাখো
negative source near grounded conductor → electrons may leave
উদাহরণ দিয়ে বোঝো
ঋণাত্মক দণ্ড কাছে রেখে গোলক ভূমিসংযোগ করো। আগে সংযোগ খুলে পরে দণ্ড সরালে গোলক ধনাত্মক থাকে।
পরের পাঠ →৪তড়িৎবীক্ষণ
পরিবাহী মাথা ও পাতায় আধান ছড়ালে সমজাতীয় পাত দুটি আলাদা হয়। এতে আধানের উপস্থিতি বোঝা যায়। চিহ্ন জানতে আগে পরিচিত আধানের সঙ্গে তুলনা দরকার। ভূমিসংযোগে আধান সরে পাতা নামতে পারে।
সম্পর্কটি মনে রাখো
like charges → leaf repulsion
উদাহরণ দিয়ে বোঝো
আহিত দণ্ড ছোঁয়ালে পাত আলাদা থাকে। ভূমিসংযোগ করলে আধান সরে পাতা নামে।
পরের পাঠ →৫কুলম্বের সূত্র
স্থির বিন্দু আধানের বল আধানের গুণফলের সমানুপাতিক ও দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক। সংযোগরেখা বরাবর বল কাজ করে। বায়ুতে k প্রায় 9×10⁹ N m²/C²; মাধ্যম বদলালে কার্যকর ধ্রুবক বদলায়।
সম্পর্কটি মনে রাখো
F = k abs(q₁q₂)/r²
উদাহরণ দিয়ে বোঝো
1 μC ও 2 μC আধান 0.3 m দূরে হলে বল 0.2 N। একই চিহ্নে বিকর্ষণ, বিপরীতে আকর্ষণ।
পরের পাঠ →৬তড়িৎক্ষেত্র
একক ধনাত্মক পরীক্ষণ আধানের ওপর বল ক্ষেত্রের সংজ্ঞা দেয়। ধনাত্মক উৎস থেকে বাইরে, ঋণাত্মকের দিকে ক্ষেত্র। বলরেখার স্পর্শক দিক দেখায়, ঘনত্ব আপেক্ষিক শক্তি বোঝায়। একই বিন্দুতে রেখা ছেদ করে না।
সম্পর্কটি মনে রাখো
E = F/q; point-charge magnitude E = k abs(Q)/r²
উদাহরণ দিয়ে বোঝো
200 N/C ডানমুখী ক্ষেত্রে +0.01 C আধান 2 N ডানমুখী বল পাবে।
পরের পাঠ →৭বিভব ও শক্তি
একক আধানের বিভবশক্তি বিভব। দুই বিন্দুর বিভব পার্থক্য আধানপ্রতি শক্তির পরিবর্তন জানায়। ক্ষেত্র ভেক্টর কিন্তু বিভব স্কেলার। বিন্দু আধানের বিভবে r এক ঘাতে, ক্ষেত্রে বর্গে থাকে।
সম্পর্কটি মনে রাখো
ΔEp = qΔV; point charge V = kQ/r; 1 V = 1 J/C
উদাহরণ দিয়ে বোঝো
2 C আধানের বিভব 3 V বাড়াতে বিভবশক্তি 6 J বাড়ে। ধীরে নেওয়ার বাহ্যিক কাজও 6 J।
পরের পাঠ →৮ধারক
অপরিবাহী দিয়ে আলাদা দুটি পরিবাহী পাতায় সমান বিপরীত আধান রাখা যায়। আধানের মান ও বিভব পার্থক্যের অনুপাত ধারকত্ব। বড় ক্ষেত্রফল ও কম ব্যবধান সাধারণত ধারকত্ব বাড়ায়। ফ্ল্যাশ ও ফিল্টারে ব্যবহার হয়।
সম্পর্কটি মনে রাখো
C = Q/V; U = ½CV²; unit farad
উদাহরণ দিয়ে বোঝো
10 μF ধারকে 12 V দিলে Q = CV = 120 μC।
পরের পাঠ →৯বজ্রপাত ও ব্যবহার
বড় বিভব পার্থক্যে বায়ু আয়নিত হয়ে নির্গমন ঘটতে পারে। বজ্রনিরোধক ব্যবস্থা সুরক্ষিত পরিবাহী পথ ও ভূমিসংযোগ দেয়। ফটোকপি, স্প্রে পেইন্ট ও ধূলিকণা সংগ্রহে তড়িৎ আকর্ষণ কাজে লাগে। বজ্রপাতের সময় বাইরের পরীক্ষা নয়।
সম্পর্কটি মনে রাখো
large potential difference → electrical breakdown of air
উদাহরণ দিয়ে বোঝো
ফটোকপিতে নির্দিষ্ট আহিত অংশে টোনার কণা জমে নকশা তৈরি করে।
পরের পাঠ →নিজে যাচাই করো
আগে নিজে উত্তর করো। তারপর প্রশ্ন খুলে সমাধান মিলিয়ে নাও।
১. ইলেকট্রন হারালে বস্তু কোন আধান পায়?
ধনাত্মক। ইলেকট্রন কমে ধনাত্মক আধানের অতিরিক্ততা থাকে।
২. আধানের দূরত্ব তিন গুণে বল?
বল 1/3² = 1/9 গুণ।
৩. ধনাত্মক উৎসের ক্ষেত্রের দিক?
বাইরের দিকে; ধনাত্মক পরীক্ষণ আধানের বলের দিক।
৪. 3 C-এর শক্তি 12 J বদলালে ΔV?
ΔV = ΔE/q = 12/3 = 4 V।
৫. 20 μF ধারকে 5 V দিলে Q?
Q = CV = 20×5 = 100 μC।
বই, সূত্র ও পাঠের পরিধি
এগুলো GetReady-এর নিজস্ব ব্যাখ্যা। মূল ১৩টি অধ্যায় সাইটের প্রচলিত ক্রমে সাজানো। আগের সংস্করণের জীবন বাঁচাতে পদার্থবিজ্ঞান অতিরিক্ত পাঠ। পরীক্ষার পরিধি চলতি বই ও বোর্ডের নির্দেশনার সঙ্গে মিলিয়ে নাও। চিত্র মাপ অনুযায়ী নয়। অন্য মান না থাকলে g = 9.8 m/s²। বিষয়বস্তু ও সংস্করণের পরিধি শিক্ষকের পর্যালোচনা প্রয়োজন।